7u7 ai বিশ্বাস করে গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের মাধ্যম, আয়ের একমাত্র উৎস নয়। আমরা চাই আমাদের প্রতিটি খেলোয়াড় সুস্থ মানসিকতায়, নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে আনন্দ নিক। এই পেজে জানুন কীভাবে দায়িত্বশীল গেমিং অভ্যাস গড়ে তুলবেন।
প্রতিটি খেলোয়াড়ের সুরক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে আমরা এই ছয়টি মূলনীতি কঠোরভাবে মেনে চলি।
7u7 ai প্ল্যাটফর্মে শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীরা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই বাধ্যতামূলক। নাবালকদের অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আপনি নিজেই দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সীমা বেঁধে দিতে পারবেন। একবার সীমা নির্ধারণ করলে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় এবং বাড়ানোর জন্য কুলিং পিরিয়ড প্রযোজ্য।
প্রতিটি সেশনে কতক্ষণ খেলবেন তা আগেই ঠিক করে নিন। সময় পার হলে প্ল্যাটফর্ম আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানাবে এবং প্রয়োজনে সেশন বন্ধ করে দেবে।
মাথা ঠান্ডা করার জন্য ২৪ ঘণ্টা থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত কুলিং-অফ পিরিয়ড নিতে পারবেন। এই সময় অ্যাকাউন্টে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
প্রয়োজন মনে করলে ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত স্থায়ী সেলফ-এক্সক্লুশন নিতে পারবেন। এই সময় কোনো প্রমোশনাল বার্তাও পাঠানো হবে না।
গেমিং আসক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন? আমাদের সাপোর্ট টিম সপ্তাহে ৭ দিন প্রস্তুত। প্রয়োজনে পেশাদার সাহায্যের সংযোগও দেওয়া হয়।
অনলাইন গেমিং ও বেটিং সঠিকভাবে উপভোগ করলে এটি চমৎকার বিনোদনের মাধ্যম হতে পারে। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এটি আর্থিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে। 7u7 ai সবসময় চায় তার খেলোয়াড়রা সুস্থ ও সুখী থাকুক।
দায়িত্বশীল খেলার অর্থ হলো নিজের সামর্থ্য বুঝে বাজি ধরা, পরিবার-পরিজনের কথা মাথায় রাখা এবং গেমিংকে জীবনের কেন্দ্রবিন্দু না বানানো। 7u7 ai প্ল্যাটফর্মে আমরা এমন সব টুল দিচ্ছি যা আপনাকে নিজের খেলার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।
মনে রাখবেন — গেমিং হারানোর টাকা ফেরত পাওয়ার উপায় নয়। প্রতিটি বাজিতে জেতার সমান সম্ভাবনা থাকে না, এবং হারাটাও খেলার স্বাভাবিক অংশ। আপনি যদি শুধু জেতার আশায় বারবার বাজি ধরছেন, তাহলে এটি সমস্যার লক্ষণ।
নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখলে সাথে সাথে বিরতি নিন এবং প্রয়োজনে সাহায্য চান:
হেরে যাওয়ার পর "এবার জিতবই" মনে করে আরও বেশি বাজি ধরলে এটি বিপজ্জনক চক্রের শুরু।
পরিবার বা বন্ধুদের কাছে কতটুকু খেলছেন বা কতটাকা হারাচ্ছেন তা লুকানো সমস্যার স্পষ্ট লক্ষণ।
ভাড়া, খাবার বা অন্য জরুরি খরচের টাকা গেমিংয়ে ঢালা অত্যন্ত বিপজ্জনক।
গেমিং না করলে মেজাজ খারাপ থাকা, অস্থির লাগা বা উদ্বেগ হওয়া আসক্তির লক্ষণ।
গেমিংয়ের কারণে পেশাগত বা ব্যক্তিগত দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া মানে অগ্রাধিকার বিপরীত হয়ে গেছে।
"একটু পরে থামব" বলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলে যাওয়া এবং সিদ্ধান্ত নিয়েও বন্ধ করতে না পারা।
বন্ধু, পরিবার বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে গেমিংয়ে খরচ করা মারাত্মক ঝুঁকির সংকেত।
মন খারাপ, একাকীত্ব বা চাপ কমাতে গেমিংয়ে আশ্রয় নেওয়া দীর্ঘমেয়াদে সমস্যা তৈরি করে।
মাস শুরুতেই ঠিক করুন কত টাকা গেমিংয়ে খরচ করবেন। সেই বাজেট পার হলে আর নয়।
প্রতিদিন সর্বোচ্চ কতক্ষণ খেলবেন তা আগে থেকে ঠিক করুন। অ্যালার্ম দিন, সময় হলে থামুন।
গেমিংকে বিনোদন হিসেবে দেখুন, যেমন সিনেমা দেখা বা বন্ধুর সাথে আড্ডা দেওয়া।
রাগ, দুঃখ বা হতাশার সময় খেলবেন না। আবেগের বশে নেওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় খারাপ।
প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১০ মিনিটের বিরতি নিন। উঠে হাঁটুন, পানি খান, চোখ বিশ্রাম দিন।
গেমিং কখনো পরিবার বা প্রিয়জনদের সাথে সময়ের বিকল্প হতে পারে না। ভারসাম্য রাখুন।
নির্ধারিত পরিমাণ হেরে গেলে সেদিনের মতো বন্ধ করুন। "পরের বার জিতব" চিন্তা এড়িয়ে চলুন।
রাতের গেমিং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। রাত ১০টার পর গেমিং এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।
কত জিতলেন, কত হারলেন — সততার সাথে লিখে রাখুন। বাস্তব চিত্রটা বুঝতে সাহায্য করবে।
লজ্জা নেই — সাহায্য চাওয়া সাহসের কাজ। আমাদের সাপোর্ট টিম বা পেশাদার পরামর্শদাতার সাথে কথা বলুন।
নিচের প্রশ্নগুলো পড়ুন। যদি ৩টির বেশি প্রযোজ্য মনে হয়, সাপোর্ট টিমে কথা বলুন।
নিজের অভ্যাস এই মানদণ্ডের সাথে মিলিয়ে দেখুন।
১৮ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ
নাবালক কেউ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে জানলে আমাদের জানান। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব।
আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং টিম সপ্তাহে ৭ দিন আপনার পাশে আছে। কোনো বিচার নেই, শুধু সাহায্য।
নিজের খেলা নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে এই টুলগুলো যেকোনো সময় ব্যবহার করুন।
দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নিজে নির্ধারণ করুন। সীমা কমানো তাৎক্ষণিক, বাড়াতে ৭ দিন অপেক্ষা।
একটানা কতক্ষণ খেলবেন তা সেট করুন। সময় শেষে স্বয়ংক্রিয় রিমাইন্ডার আসবে এবং সেশন বন্ধ হয়ে যাবে।
১ দিন থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য সাময়িক বিরতি নিন। এই সময় লগইন করা যাবে না, কোনো অফারও আসবে না।
৬ মাস থেকে ৫ বছরের জন্য অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ বন্ধ রাখুন। মেয়াদ শেষের আগে পুনরায় সক্রিয় করা সম্ভব নয়।